মৌলভীবাজারে পাহাড়ি ঢলে গোগালিছড়া ও বালিয়াছড়ার বাঁধ ভেঙে প্রায় ৩০ গ্রাম প্লাবিত ও ৬শ হেক্টর বোরো ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক মানুষ। দুর্বিষহ জীবন পার করছেন অনেকে। ঢলের স্রোতে ভেঙে গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ সড়ক।
ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজার, সিলেটের জকিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
জামালপুরে কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাংধরা ইউনিয়নের জিঞ্জিরাম নদী ও লুকায় ঝোরার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে দ্রুত বাড়ছে নদ-নদীর পানি। এতে নতুন নতুন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে জেলার বন্যা কবলিত চরাঞ্চলের মানুষের।
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়ে গেছে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল। পানিতে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক। ফলে সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন ৭ শতাধিক পর্যটক।
বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে সিলেটের নিম্নাঞ্চল। একই সঙ্গে সুরমা, কুশিয়ারা, পিয়াইন, ধলাই ও সারিসহ বিভিন্ন নদনদীর পানিও বাড়তে শুরু করেছে। সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কুশিয়ারার পানি আমলশীদ পয়েন্টে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ও পাহাড়ি ঢলে দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় সড়ক ডুবে যাওয়ায় সোমবার (৭ আগস্ট) থেকে লংগদুর সাথে এবং আজ (মঙ্গলবার-৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সাজেকের সাথেও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
টানা বৃষ্টি, জোয়ারের পানি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার জেলার ১৫ ইউনিয়নের ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে চকরিয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ঈদগাঁও উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন রয়েছে।
জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাটের উভয় পাড়ে পাটাতনে পানি উঠে যাওয়ায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।